বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে মৌসুমের প্রথম যাত্রা: ৮ শতাধিক পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল প্রবাল দ্বীপ টেকনাফে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার হরমুজের কাছে ২টি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ঝলমলে ত্বকের জন্য ঐশ্বরিয়ার ভরসা মাত্র তিন অভ্যাস যে মোরগের লেজের পালকের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট ঘুরতে যাবেন? জেনে নিন ২০২৭ সালে লম্বা ছুটি পড়বে কোন কোন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান মিরপুরে টানা তিনদিন ধরে চলছে সংঘর্ষ: জনমনে আতংক ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস উদগীরণ, মজুত নিরূপণে জরিপ দ্বীপ প্রস্তুত: আজ সেন্টমার্টিন খুললেও যায়নি কোন জাহাজ: চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায়

রোহিঙ্গা নবীকে ধরিয়ে দিতে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজার-৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হোসাইন কবির বলেন, ‘নবীকে ধরতে পারলেই যে মাদক পাচার বন্ধ করা সম্ভব হবে তা নয়। তবে তার কাছে থাকা তথ্য থেকে অনেক কিছু জানা সম্ভব। তাই পুরস্কার ঘোষণা করে পোস্টার লাগানো হয়েছে। কোনো রোহিঙ্গাকে ধরতে এটিই প্রথম পুরস্কার ঘোষণা।’

প্রথমবারের মতো কোনো রোহিঙ্গাকে ধরিয়ে দিতে পারলে পুরস্কার ঘোষণা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি জানিয়েছে, অস্ত্রধারী ও ইয়াবা কারবারি রোহিঙ্গা নবী হোসেন ওরফে নইব্বাকে ধরিয়ে দিতে পারলে ১০ লাখ টাকা দেয়া হবে।

কক্সবাজার-৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হোসাইন কবির নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পকেন্দ্রিক অস্ত্রবাজি, ইয়াবা পাচারের একটি বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ নবীর হাতে। ক্রিস্টাল মেথ বা আইসের সঙ্গেও নবীর দলের সদস্যদের সম্পৃক্ততা বেড়েছে। নবী এখন বিজিবির প্রধান টার্গেট। তার নামে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ও ইয়াবার একাধিক মামলা আছে।

‘তাকে ধরতে পারলেই যে মাদক পাচার বন্ধ করা সম্ভব হবে তা নয়। তবে নবীর কাছে থাকা তথ্য থেকে অনেক কিছু জানা সম্ভব। তাই পুরস্কার ঘোষণা করে পোস্টার লাগানো হয়েছে। কোনো রোহিঙ্গাকে ধরতে এটিই প্রথম পুরস্কার ঘোষণা।’

এক সপ্তাহ ধরে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও এর আশপাশের এলাকায় বিজিবির এই পোস্টার দেখা যায়।

এ বিষয়ে কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের মুখপাত্র এইচ এম এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শীর্ষ কোনো পলাতক সন্ত্রাসীর ওপর মানসিক চাপ তৈরি করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কখনও কখনও পুরস্কার ঘোষণা করে। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে ধরতে এমন সিদ্ধান্ত নজিরবিহীন।’

রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে পুরস্কার ঘোষণা করার মতো রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী তৈরি হয়েছে, এটা আমাদের কাছে অকল্পনীয়। যদি এমন সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে ওঠে তাহলে তাদের দ্রুত দমন করা প্রয়োজন। তবে সবচেয়ে বড় দাবি হচ্ছে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন করা।’  সুত্র: নিউজ বাংলা।

ভয়েস/ জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION